নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁও নিউজ :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বারদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বারদী ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সভাপতি আলী আজগর ব্যবসার অন্তরালে দীর্ঘদিন যাবৎ চোরাই চালের কারবার করে আসছে। চোর চক্রের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন জেলা থেকে চোরাই চাল ক্রয়-বিক্রয় করে থাকে বলে জানান শান্তির বাজারের দোকান মালিকগণ। ফখরুদ্দিন সরকারের আমলে তিনিসহ বিএনপির কয়েকজন নেতা সার চুরির অভিযোগে সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জের চাল ব্যবসায়ী হাজী মোঃ কায়ছার হামিদের ৪২০ বস্তা চাল নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। গোপন সংবাদের মাধ্যমে বুধবার রাত আনুমানিক ৯ ঘটিতার সময় আড়াই হাজার থানা পুলিশ এন আর কে তিন গোলাপ ফুল মার্কা চাউলের বস্তাগুলো আজগর চেয়ারম্যান এর গোডাউনে নামানোর সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। তার ভাতিজা জিয়াউরসহ দুইজনকে আটক করে আড়াইহাজার থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ তার সকল অপকর্মের কথা তুলে ধরে। জমি দখল, ওয়ারিশের জায়গা কিনে জোরপূর্বক দখল করাসহ নানান অপকর্মে জড়িত ছিল আলী আজগর।
শান্তির বাজারের বাজার কমিটির সভাপতি জজ মিয়া মেম্বার বলেন, এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধীক চুরির অভিযোগ রয়েছে, পাঁচ- ছয় বার তিনি বাজার কমিটির কাছে ক্ষমা চেয়ে পাড় পাইলেও এবার আর শেষ রক্ষা হলোনা।
চাল চুরির বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান আলী আজগর কে ফোন দিলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এগুলো আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে আমারকে ফাঁসানো হচ্ছে।
আড়াই হাজার থানার এস আই মনির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং দুই জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তবে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে আলী আজগর চেয়ারম্যান পালিয়ে যায়। দোকান ও চালের গোডাউনে তালা লাগিয়ে সিলঘালা করা হয়েছে। থানায় মামালার প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
আপনার মতামত দিন